Category: HISTORY

  • বৈদিক সংস্কৃতি – প্রশ্ন ও উত্তর.Vedic culture(question and answer)

     

     

    বৈদিক সংস্কৃতি – প্রশ্ন ও উত্তর.Vedic culture(question and answer)

    প্রশ্ন ১: বৈদিক যুগের চারটি প্রধান বেদ কোনগুলো?

    উত্তর: ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ, অথর্ববেদ।

    প্রশ্ন ২: বৈদিক সমাজের প্রধান ধর্মীয় পাঠ্যগ্রন্থ কোনটি?

    উত্তর: ঋগ্বেদ।

    প্রশ্ন ৩: বৈদিক যুগে “সামন” শব্দটি কী নির্দেশ করে?

    উত্তর: গান বা সঙ্গীত।

    প্রশ্ন ৪: বৈদিক যুগে “ব্রাহ্মণ” শ্রেণীর প্রধান কাজ কী ছিল?

    উত্তর: ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং যজ্ঞ পরিচালনা।

    প্রশ্ন ৫: বৈদিক যুগে সমাজের শ্রেণীবিভাগ কতটি ছিল?

    উত্তর: চারটি – ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শুক্র।

    প্রশ্ন ৬: “অথর্ববেদ” কিসে সন্নিবিষ্ট?

    উত্তর: মন্ত্র, দোহার ও ঋতু প্রার্থনা।

    প্রশ্ন ৭: বৈদিক সংস্কৃতির প্রথম স্তরের ধর্মীয় লেখাগুলোর নাম কী?

    উত্তর: “সুখিত ওযূয়ান”।

    প্রশ্ন ৮: বৈদিক সংস্কৃতির মূল পুথি কী?

    উত্তর: ঋগ্বেদ।

    প্রশ্ন ৯: বৈদিক যুগে “ইন্দ্র” কে হিসেবে বিবেচনা করা হতো?

    উত্তর: বৃষ্টি ও বিজয় দেবতা।

    প্রশ্ন ১০: বৈদিক সমাজে “গণ” কি ছিল?

    উত্তর: একটি সমাজিক ইউনিট বা গ্রুপ।

    প্রশ্ন ১১: বৈদিক যুগে “পুরুষ সূক্ত” কিসে সন্নিবিষ্ট?

    উত্তর: সৃষ্টি, ধর্মীয় ও সামাজিক স্তরের বর্ণনা।

    প্রশ্ন ১২: বৈদিক যুগে “সামবেদ” কী ছিল?

    উত্তর: গান বা সঙ্গীতের বেদ।

    প্রশ্ন ১৩: বৈদিক সংস্কৃতির কোন প্রথা কৃষি ও পশুপালনের উন্নতি সাধনে সহায়ক ছিল?

    উত্তর: যজ্ঞ ও ধর্মীয় উৎসব।

    প্রশ্ন ১৪: বৈদিক যুগে “বৈশ্য” শ্রেণীর প্রধান কাজ কী ছিল?

    উত্তর: কৃষি ও বাণিজ্য।

    প্রশ্ন ১৫: বৈদিক যুগে “অগ্নি” কে হিসেবে পূজা করা হতো?

    উত্তর: আগুনের দেবতা।

    প্রশ্ন ১৬: বৈদিক যুগের শিক্ষাপদ্ধতি কেমন ছিল?

    উত্তর: মৌখিক শিক্ষার মাধ্যমে প্রথা ও ধর্মীয় জ্ঞান প্রচার।

    প্রশ্ন ১৭: বৈদিক যুগে “শ্বেতপদ্ম” কি নির্দেশ করে?

    উত্তর: পবিত্র সাপ বা উদ্ভিদ।

    প্রশ্ন ১৮: বৈদিক সংস্কৃতিতে “সন্ধ্যাবন্দনা” কী?

    উত্তর: দৈনিক প্রার্থনা বা পূজা।

    প্রশ্ন ১৯: বৈদিক যুগে “ঋষি” কাকে বলা হয়?

    উত্তর: দেবতাদের বার্তাবাহক বা জ্ঞানী ব্যক্তি।

    প্রশ্ন ২০: বৈদিক সমাজে “কুল” কী নির্দেশ করে?

    উত্তর: একটি পরিবার বা বংশ।

    প্রশ্ন ২১: বৈদিক যুগের যজ্ঞ প্রথার মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?

    উত্তর: দেবতাদের সন্তুষ্ট করা এবং জীবনের উন্নতি সাধন।

    প্রশ্ন ২২: বৈদিক যুগের সমাজের প্রধান অর্থনৈতিক কার্যক্রম কী ছিল?

    উত্তর: কৃষি এবং পশুপালন।

    প্রশ্ন ২৩: বৈদিক সংস্কৃতিতে “হোমযজ্ঞ” কী?

    উত্তর: গৃহযজ্ঞ বা পরিবারের মধ্যে প্রার্থনা।

    প্রশ্ন ২৪: বৈদিক যুগে “ক্ষত্রিয়” শ্রেণীর প্রধান কাজ কী ছিল?

    উত্তর: রক্ষা ও সামরিক কার্যক্রম।

    প্রশ্ন ২৫: বৈদিক সংস্কৃতিতে “ঋষি” কাদের বলা হতো?

    উত্তর: ধর্মীয় জ্ঞানী ও সাধক।

    প্রশ্ন ২৬: বৈদিক যুগে “ব্রাহ্মণ” শ্রেণীর ভূমিকা কী ছিল?

    উত্তর: ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা।

    প্রশ্ন ২৭: বৈদিক সংস্কৃতিতে “যজ্ঞ” কী?

    উত্তর: ধর্মীয় উৎসব বা প্রার্থনা।

    প্রশ্ন ২৮: বৈদিক যুগে “দেবতা” কে বলতে বোঝানো হয়?

    উত্তর: প্রকৃতির শক্তি বা অতীন্দ্রিয় সত্তা।

    প্রশ্ন ২৯: বৈদিক যুগে “ভাগ্য” কিসের উপর নির্ভর করতো?

    উত্তর: ধর্মীয় আচরণ ও যজ্ঞ।

    প্রশ্ন ৩০: বৈদিক সংস্কৃতির মূল ভিত্তি কী ছিল?

    উত্তর: ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও যজ্ঞ।

    প্রশ্ন ৩১: বৈদিক যুগে “বৈশ্য” শ্রেণীর বিশেষত্ব কী ছিল?

    উত্তর: কৃষি ও বাণিজ্য।

    প্রশ্ন ৩২: বৈদিক যুগে “শূদ্র” শ্রেণীর প্রধান কাজ কী ছিল?

    উত্তর: সেবা ও শ্রম।

    প্রশ্ন ৩৩: বৈদিক যুগে “অগ্নি” দেবতার কোন মূল ধর্মীয় ভূমিকা ছিল?

    উত্তর: যজ্ঞে অগ্নি বাহক।

    প্রশ্ন ৩৪: বৈদিক সংস্কৃতিতে “ব্রহ্মা” কে হিসেবে পূজা করা হয়েছিল?

    উত্তর: সৃষ্টিকর্তা দেবতা।

    প্রশ্ন ৩৫: বৈদিক যুগের “যোগ” কি নির্দেশ করে?

    উত্তর: আত্মার সঙ্গে ঈশ্বরের মিলন।

    প্রশ্ন ৩৬: বৈদিক যুগের সামাজিক দায়িত্বগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত ছিল?

    উত্তর: ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব পালন।

    প্রশ্ন ৩৭: বৈদিক যুগে “যজমান” কাকে বলা হয়?

    উত্তর: যজ্ঞের উদ্যোক্তা।

    প্রশ্ন ৩৮: বৈদিক যুগে “গণ” কী ধরনের সামাজিক ইউনিট ছিল?

    উত্তর: একটি গোষ্ঠী বা ইউনিট।

    প্রশ্ন ৩৯: বৈদিক যুগের “রথ” কীভাবে ব্যবহৃত হতো?

    উত্তর: যুদ্ধ এবং ধর্মীয় উৎসবের জন্য।

    প্রশ্ন ৪০: বৈদিক যুগে “বেদ” কতটি অংশে বিভক্ত ছিল?

    উত্তর: চারটি – শ্লোক, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষদ।

    প্রশ্ন ৪১: বৈদিক সংস্কৃতির “মন্ত্র” কী?

    উত্তর: ধর্মীয় প্রার্থনা বা ধ্যান।

    প্রশ্ন ৪২: বৈদিক সংস্কৃতিতে “উপনিষদ” কী?

    উত্তর: ধর্মীয় দার্শনিক চিন্তাভাবনা।

    প্রশ্ন ৪৩: বৈদিক যুগে “ঋষি” শ্রেণীর কাজ কী ছিল?

    উত্তর: ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষা প্রদান।

    প্রশ্ন ৪৪: বৈদিক যুগের “যজ্ঞের” প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?

    উত্তর: দেবতাদের সন্তুষ্টি ও কল্যাণ।

    প্রশ্ন ৪৫: বৈদিক যুগে “বৈশ্য” শ্রেণীর বিশেষত্ব কী ছিল?

    উত্তর: কৃষি, ব্যবসা, ও শিল্প।

    প্রশ্ন ৪৬: বৈদিক সংস্কৃতির “যজমান” কাকে বোঝানো হতো?

    উত্তর: যজ্ঞের আয়োজনকারী ব্যক্তিকে।

    প্রশ্ন ৪৭: বৈদিক যুগের “ব্রাহ্মণ”রা কোন প্রধান কাজ করতো?

    উত্তর: ধর্মীয় কাজ ও যজ্ঞ পরিচালনা।

    প্রশ্ন ৪৮: বৈদিক যুগে “ভগবান” শব্দটি কিসের প্রতীক?

    উত্তর: সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বা দেবতা।

    প্রশ্ন ৪৯: বৈদিক যুগের “অধ্যায়” কী বোঝায়?

    উত্তর: ধর্মীয় বা শিক্ষা বিষয়ক অধ্যায়।

    প্রশ্ন ৫০: বৈদিক যুগে “স্মৃতি” কী নির্দেশ করে?

    উত্তর: ধর্মীয় ও সামাজিক নিয়মাবলী।

     

  • HISTORY OF INDIA QUIZ.PART 11. ভারতের ইতিহাস কুইজ । পার্ট ১১ .

    HISTORY OF INDIA QUIZ.PART 11. ভারতের ইতিহাস কুইজ । পার্ট ১১ .

    যেকোনো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত কুইজ এ অংশগ্রহণ করা খুব ই গুরুত্বপুর্ন। এই পোস্ট এ মুঘল সাম্রাজ্য থেকে ২৫  টি প্রশ্ন দেওয়া হলো এবং সময় ০৮ মিনিট । আশা করি এগুলি আপনাদের প্রস্তুতি কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

    • প্রশ্ন সংখ্যা – ২৫
    • সময় – ৮ মিনিট 

    [HDquiz quiz = “77”]

  • HISTORY OF INDIA QUIZ.CHAPTER MUGHAL SULTANATE. মুঘল সাম্রাজ্য কুইজ পার্ট#১

    HISTORY OF INDIA QUIZ.CHAPTER MUGHAL SULTANATE. মুঘল সাম্রাজ্য কুইজ পার্ট#১

    যেকোনো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত কুইজ এ অংশগ্রহণ করা খুব ই গুরুত্বপুর্ন। এই পোস্ট এ মুঘল সাম্রাজ্য থেকে ২৫  টি প্রশ্ন দেওয়া হলো এবং সময় ০৮ মিনিট । আশা করি এগুলি আপনাদের প্রস্তুতি কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

    [HDquiz quiz = “66”]

  • ANCIENT HISTORY OF INDIA IN BENGALI(complete Harappan civilization).প্রাচীন ভারতের ইতিহাস(হরপ্পা সভ্যতা)।

    ANCIENT HISTORY OF INDIA IN BENGALI.Chapterwise question answer.(complete Harappan civilization).

    এই পোস্ট এর মাধ্যমে প্রাচীন ভারতের একটি গুরুত্বপুর্ন অধ্যায় “হরপ্পা সভ্যতা” থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর গুলি দেওয়া হলো।

     

    ১. হরপ্পার কোন অঞ্চলে ধান চাষের প্রমাণ পাওয়া গেছে?
    – লোথাল।
    ২.সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের উপাস্য দেবতা কে ছিলেন?
    – পশুপতি
    ৩. হরপ্পা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
    – রাভি নদীর তীরে।
    ৪. সিন্ধু সভ্যতার কোন নগরীতে বৃহত্তম শিলালেখ পাওয়া গেছে?
    – ধলভীরা।
    ৫. হরপ্পা সভ্যতার কোন স্থানটি গুজরাটে অবস্থিত নয়?
    – বানোয়ালি এবং দাইমাবাদ।
    ৬. হরপ্পা তে কোন ধাতুর ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়নি?
    – লোহা।
    ৭. সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা কি ছিল?
    – কৃষিকাজ।
    ৮. সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো –
    – ইট দিয়ে তৈরি করা বাড়ি।
    ৯. হরপ্পা সভ্যতার কোন অংশটি “দুর্গ বা citadel” নামে পরিচিত?
    – পূর্ব অংশটি।
    ১০. সিন্ধু সভ্যতার কোথায় বৃহৎ আকৃতির স্নানাগার আবিষ্কৃত হয়েছে?
    – মহেঞ্জোদারো।
    ১১. বেশিরভাগ হরপ্পার শীল গুলি কোন ধাতু দিয়ে তৈরি?
    – স্টিয়াটাইট।
    ১২. কালিবোঙ্গান এলাকাটি বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
    – রাজস্থান।
    ১৩. সিন্ধু সভ্যতার একটি উল্লেখযোগ্য বন্দর হলো –
    – লোথাল।
    ১৪. কোন ভারতীয় ঐতিহাসিক হরপ্পা সভ্যতার খননকার্যে নিযুক্ত ছিলেন?
    – R. D. Banarjee।
    ১৫. মেসোপটেমিয়া তে হরপ্পা সভ্যতা কি নামে পরিচিত ছিল?
    – মেলুহা।
    ১৬. হরপ্পা সভ্যতার সবথেকে বড় এলাকা কোনটি?
    – রাখিগারি।
    ১৭.হরপ্পার কোন নগরীতে ইট নির্মিত বাড়ির প্রমাণ পাওয়া গেছে?
    – কালিবঙ্গান।
    ১৮. নিওলিথিক ভারতে কোন ধাতুর ব্যবহার হতো?
    – তমা।
    ১৯. হরপ্পা সভ্যতার কোন নগরীটি রাজস্থানে অবস্থিত?
    – কালীবঙ্গান।
    ২০. মহেঞ্জোদারো সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ কে আবিষ্কার করেন?
    – রাখালদাস ব্যানার্জি।
    ২১. সিন্ধু সভ্যতার সবথেকে প্রাচীন বন্দর কোনটি?
    – লোথাল।
    ২২. সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে কোন দেশের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রমাণ পাওয়া যায়?
    – মেসোপটেমিয়া।
    ২৩. কোন পশু সিন্ধু সভ্যতার মানুষদের কাছে অজানা ছিল ?
    – ঘোড়া।
    ২৪. সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগীয় সভ্যতা?
    – ক্যালকোলিথিক যুগীয় বা ব্রোঞ্জ যুগীয়।
    ২৫. সিন্ধু সভ্যতা কোন ধরনের সভ্যতা?
    – নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা।
    ২৬. সিন্ধু সভ্যতা থেকে প্রধানত কি কি রপ্তানি করা হতো?
    – সোনা ও রূপা।
    ২৭. “Indus civilization” বা ” সিন্ধু সভ্যতা” শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন?
    – জন মার্শাল।
    ২৮. সিন্ধু সভ্যতার সবথেকে উত্তর দিকের অংশ হলো –
    – রোপার।
    ২৯. সিন্ধু সভ্যতার সবথেকে দক্ষিণ দিকের অংশ হলো –
    – দায়মাবাদ।
    ৩০.সিন্ধু সভ্যতার বন্দর শহর গুলি কি কি ?
    – লোথল, সুতকাজেন্দর, আল্লাদিনো, বালাকোট, কুনতাসি।
    ৩১. মহেঞ্জোদারো নগরীটি কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল?
    – সিন্ধু নদী।
    ৩২. চানুদারো নগরীটি কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল?
    – সিন্ধু নদী।
    ৩৩. লোথাল নগরীটি কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল?
    – ভোগোভা।
    ৩৪. কালিবঙ্গন এবং বানোয়ালী নগরী কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল?
    – ঘাগর।
    ৩৫.ধোলোভিরা নগরীটি কোন নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল?
    – লুনি।
    ৩৫. একমাত্র কোন নগরীতে ঘোড়ার অবশেষ পাওয়া গেছে?
    – সুরকতাদা ।
    ৩৬. দোয়াত এবং লিপিস্টিক কোন নগরীতে পাওয়া গেছে?
    – চানহুদারো।
    ৩৭. সিন্ধু সভ্যতার প্রধান খাদ্য শস্য কি ছিল?
    – গম ও বার্লি।
    ৩৮. সর্বপ্রথম হরপ্পার মানুষ কার্পাস বা তুলো আবিষ্কার করে যেটি গ্রীক দের কাছে কি নামে পরিচিত ছিল?
    – সিন্ডন।